বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Columbus |
| Columbus
দ্য ভয়েস নিউজ
কূটনীতি, রাজনীতি ও নীতি — কাছ থেকে
সর্বশেষ

৪৫ হাজার কোটি টাকার বোয়িং চুক্তির পর এবার এয়ারবাস কিনতে চায় বাংলাদেশ

- ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং থেকে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার (৩.৭ বিলিয়ন ডলার) ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির কয়েক মাসের মধ্যেই এবার ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাস থেকে আরও উড়োজাহাজ কিনতে চাচ্ছে বাংলাদেশ।

দুটি বৃহৎ ক্রয় পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বোয়িং ও এয়ারবাস থেকে মোট ২৪টি নতুন উড়োজাহাজ কিনবে বিমান। বর্তমানে প্রায় ১৯টি উড়োজাহাজের বহরের জন্য এটি হবে বড় ধরনের সম্প্রসারণ।

এছাড়া আরও ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সাথে যুক্ত হবে বিশাল ব্যয় এবং সততা ও স্বচ্ছতার সাথে বিমানের পুরো ব্যবসাটা সামাল দেওয়ার চ্যালেঞ্জ।

সমালোচকরা বলছেন, দেশের প্রয়োজনের চেয়ে বিদেশিদের সন্তুষ্টি সাধন এবং ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধি এর আসল উদ্দেশ্য।

এত বড় বহর সম্প্রসারণ স্বাভাবিকভাবেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনছে—বিমানের বাণিজ্যিক প্রয়োজনেই কি এতগুলো উড়োজাহাজ দরকার, এবং বৈদেশিক মুদ্রা, জ্বালানি আমদানি ও সরকারি ব্যয় নিয়ে চাপে থাকা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই বিপুল বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদে কতটা লাভজনক হবে?

কুকের সাথে বৈঠক

মঙ্গলবার ঢাকায় সচিবালয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তাবিত এয়ারবাস কেনার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আধুনিকায়ন, ঢাকার বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্ত নিলে ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

বিমানের বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজের সংকট রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জরুরি ভিত্তিতে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করা প্রয়োজন।

তবে বর্তমান ঘাটতি এবং দীর্ঘমেয়াদি উড়োজাহাজ ক্রয় পরিকল্পনা দুটি ভিন্ন বিষয়। চলতি বছর অর্ডার দেওয়া বোয়িং উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সালের আগে আসতে শুরু করবে না। ফলে এর মধ্যবর্তী সময়ের জন্য লিজে উড়োজাহাজ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

অন্যদিকে এয়ারবাসের সঙ্গে চলমান আলোচনা শেষ পর্যন্ত চুক্তিতে গড়ালে আগামী দশক পর্যন্ত বিস্তৃত আরেকটি বড় আর্থিক প্রতিশ্রুতিতে যেতে পারে বাংলাদেশ।

প্রথমে ১৪ বোয়িং, এবার ১০ এয়ারবাস

বিমান গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে। এটি জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ ক্রয়ের অর্ডার।

এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স। ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে উড়োজাহাজগুলো সরবরাহের কথা রয়েছে।

তালিকামূল্যে চুক্তিটির মূল্য প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা (৩.৭ বিলিয়ন ডলার)। সাধারণত উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে তালিকামূল্য থেকে দর-কষাকষির মাধ্যমে ছাড় দেওয়া হয়। তবে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তিতে প্রকৃত মূল্য কত নির্ধারণ করা হয়েছে, তা সরকার প্রকাশ করেনি।

বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তির কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এয়ারবাস আরও ১০টি উড়োজাহাজ সরবরাহের প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে চারটি এ৩৫০-৯০০ ওয়াইডবডি এবং ছয়টি এ৩২১নিও ন্যারোবডি উড়োজাহাজ।

পরবর্তী সময়ে সরকার সব কটি উড়োজাহাজ কেনার আগ্রহের কথা জানায়।

গত জুলাইয়ে মিল্লাত বলেছিলেন, ৩১ আগস্টের মধ্যে এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি হতে পারে এবং ২০৩১ সাল থেকে উড়োজাহাজ সরবরাহ শুরু হবে। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কোনো চুক্তি হয়নি। তবে মন্ত্রীর সর্বশেষ বক্তব্যে স্পষ্ট, এয়ারবাসের প্রস্তাব এখনো সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

উড়োজাহাজ কেনায় কূটনীতির প্রভাব

উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক বিষয়টি এবার বেশ স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে।

বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তির আগে বাংলাদেশ এয়ারবাস কেনার বিষয়টি বিবেচনা করছিল। আগের আওয়ামী লীগ সরকার ইউরোপীয় নির্মাতাটির কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নিয়েছিল।

২০২৪ সালের আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই প্রস্তাব পুনর্মূল্যায়ন করা হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কর্মকর্তাদের ভাষায় ‘টেকনো-ফিন্যান্সিয়াল’ মূল্যায়নের পর ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় বিমান।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকার (৬ বিলিয়ন ডলার) বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং সম্ভাব্য মার্কিন শুল্কের ঝুঁকি হ্রাসের চেষ্টা চলার মধ্যেই বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তটি আসে।

চলতি মাসে বিমানমন্ত্রী আরও সরাসরিভাবে বোয়িং কেনার সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি অনুরোধের সম্পর্কের কথা বলেছেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর মিল্লাত বলেন, “ট্রাম্প আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি জিনিস চেয়েছেন, সেটি হলো—‘আমাদের বোয়িং ব্যবহার করুন।’ আমরা সেটাই করছি; আমরা কিনছি।”

একই সঙ্গে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানিসহ ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এয়ারবাসও বাংলাদেশ কিনবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রীর এসব বক্তব্য দুই ক্রয়ের বাণিজ্যিক যৌক্তিকতার বিষয়টিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

জাতীয় বিমান সংস্থার উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থ থাকা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু বিমান একই সঙ্গে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। একটি উড়োজাহাজ কয়েক দশক বহরে থাকার কারণে অর্থায়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, জনবল এবং বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যয়ের দায়ও দীর্ঘমেয়াদি। অথচ যে কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা সময়ের সাথে বদলে যেতে পারে।

বিমানের কি ২৪টি নতুন উড়োজাহাজ প্রয়োজন?

নতুন বোয়িং ও এয়ারবাস আসার আগে লিজে নেওয়া উড়োজাহাজের পাশাপাশি বিমানের সত্যিই আরও ২৪টি কেনা উড়োজাহাজ প্রয়োজন কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

এত বড় বহর সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি যাত্রী চাহিদা, রুটের লাভজনকতা, উড়োজাহাজের ব্যবহার, অর্থায়নের খরচ, জ্বালানির মূল্য, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় এবং সম্ভাব্য মুনাফার হিসাব প্রয়োজন।

বোয়িং ও এয়ারবাসের পুরো বহর বিমান কীভাবে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করবে, যাত্রী ও রাজস্ব বৃদ্ধির পূর্বাভাস কী এবং উড়োজাহাজ কেনার অর্থায়ন কীভাবে হবে—এসব নিয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সরকার প্রকাশ্যে উপস্থাপন করেনি।

প্রস্তাবিত এয়ারবাস ক্রয়ের মূল্যও প্রকাশ করা হয়নি।

শুধু বোয়িং অর্ডারের ঘোষিত মূল্যই যেখানে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা (৩.৭ বিলিয়ন ডলার), সেখানে এসব প্রশ্ন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য বৈদেশিক মুদ্রা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

জুলাইয়ের শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ১৬০ কোটি ডলার (৩১.৬ বিলিয়ন ডলার)।

একই সময়ে আমদানি করা জ্বালানি ও এলএনজির পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। জ্বালানি খাতের ভর্তুকিও সরকারি অর্থের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন হচ্ছে, যে মাত্রায় বিমানের বহর সম্প্রসারণের কথা ভাবা হচ্ছে, তার পক্ষে নিজেদের আর্থিক হিসাব কতটা শক্তিশালী।

অন্তর্নিহিত আর্থিক বিশ্লেষণ ও রুটভিত্তিক হিসাব প্রকাশ না হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ—দুই পক্ষের কাছ থেকেই উড়োজাহাজ কেনা সর্বোত্তম বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত কি না, নাকি বড় বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এই ক্রয়নীতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করছে—তা মূল্যায়নের সুযোগ সীমিত থাকবে করদাতাদের।

বোয়িং ও এয়ারবাস একসঙ্গে চালানোর দায়

বিমানের বর্তমান জেট বহরের অধিকাংশই বোয়িংয়ের। এর মধ্যে রয়েছে ৭৮৭ ড্রিমলাইনার, ৭৭৭ ও ৭৩৭। এর সঙ্গে এয়ারবাস এ৩৫০ ও এ৩২১নিও যুক্ত হলে বিমানকে একই সঙ্গে দুটি বড় নির্মাতার উড়োজাহাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

পাইলটদের উড়োজাহাজের ধরন অনুযায়ী আলাদা প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা প্রয়োজন হয়। প্রকৌশল, রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি, যন্ত্রাংশ, কারিগরি দক্ষতা এবং কিছু গ্রাউন্ড সাপোর্ট ব্যবস্থাও একেক ধরনের উড়োজাহাজে ভিন্ন।

বড় বিমান সংস্থার পক্ষে বৃহৎ বহরের মধ্যে এসব অতিরিক্ত ব্যয় সামাল দেওয়া তুলনামূলক সহজ হতে পারে। কিন্তু বিমানের ক্ষেত্রে বহরে বৈচিত্র্য আনার সুবিধা একই ধরনের বহর পরিচালনার সুবিধা হারানোর তুলনায় কতটা লাভজনক, সেটিও আর্থিক মূল্যায়নের অংশ হওয়া প্রয়োজন।

এ ধরনের কোনো মূল্যায়ন সরকার প্রকাশ্যে উপস্থাপন করেনি।

বোয়িং চুক্তি নিয়েও স্বচ্ছতার প্রশ্ন

এয়ারবাস নিয়ে সর্বশেষ আলোচনার আগেই বোয়িং চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশের দাবি উঠেছে।

চলতি মাসের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী বোয়িং চুক্তির মূল্য, শর্ত ও ক্রয় প্রক্রিয়ার বিস্তারিত প্রকাশ চেয়ে আইনি নোটিশ দেন।

নোটিশে এই বিপুল আর্থিক প্রতিশ্রুতির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্বাধীন সম্ভাব্যতা যাচাই ও আর্থিক মূল্যায়নের দাবি জানানো হয়।

এর মধ্যেই মঙ্গলবার মিল্লাত বলেন, যেকোনো উড়োজাহাজ ক্রয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। এয়ারবাসের প্রস্তাব উচ্চপর্যায়ের কমিটি মূল্যায়ন করার পর সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও সম্প্রতি বাংলাদেশকে ‘বাণিজ্যিক যোগ্যতার’ ভিত্তিতে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং এয়ারবাসকে সমান সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এর মধ্যেই আরও উড়োজাহাজ লিজের পরিকল্পনা

উড়োজাহাজ সরবরাহে দীর্ঘ অপেক্ষাও আরেকটি আর্থিক বিবেচনার বিষয়।

অর্ডার করা প্রথম বোয়িং ২০৩১ সালের আগে আসার কথা নয়। অথচ বিমান বলছে, তাদের এখনই অতিরিক্ত উড়োজাহাজ প্রয়োজন। এই ঘাটতি পূরণে সরকার সর্বোচ্চ ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা করেছে।

ফলে একই সময়ে তিন পথে বিমানের বহর বাড়তে পারে—স্বল্পমেয়াদে লিজের উড়োজাহাজ, কেনা ১৪টি বোয়িং এবং সম্ভাব্য আরও ১০টি এয়ারবাস।

এই তিনটি পরিকল্পনা কীভাবে একটি সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি বহর পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হবে, তার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতির সামনে বড় পরীক্ষা

সারাহ কুকের সঙ্গে মঙ্গলবারের বৈঠকে উড়োজাহাজ কেনার বাইরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের আরোপ করা বাংলাদেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য ও ডাক মর্যাদা প্রত্যাহারে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চান মিল্লাত।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে আরোপিত এই মর্যাদার কারণে বাংলাদেশ থেকে কার্গো পরিবহনে সময় ও খরচ বেড়েছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সাম্প্রতিক নিরীক্ষায় সন্তোষজনক মূল্যায়ন পাওয়া গেছে।

ঢাকা বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেনজিস এভিয়েশনের বিমানের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনা হয়।

তবে প্রস্তাবিত এয়ারবাস ক্রয়ের প্রভাব মঙ্গলবারের এই কূটনৈতিক বৈঠকের পরিধির চেয়ে অনেক বড়।

মন্তব্য

Scroll to Top