বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং দীর্ঘ ২৪ বছরের সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতি। ১৯৭১-এর ২৬শে মার্চের সেই ঐতিহাসিক বার্তার সাংবিধানিক বৈধতা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিয়ে সাজ্জাদ হোসেন সবুজের বিশেষ নিবন্ধ।
লেখক বিশ্বাস করেন, ষড়যন্ত্র যত বড়ই হোক, বঙ্গবন্ধুর নাম ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য। সাময়িক আঁধার শেষে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার জেগে উঠবে বিশ্বসভায়। বীর বাঙালির বিজয় হবেই।"
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাত ১২টার পর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে যা ঘটেছিল, তা ইতিহাসের এক মোড় পরিবর্তনকারী অধ্যায়। পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণের মুখেও বঙ্গবন্ধু কীভাবে স্বাধীনতার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং পরিবারের বিদায় মুহূর্তের সেই অশ্রুভেজা স্মৃতি নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
ভারতের লোকসভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং জানিয়েছেন, গত এক যুগে লাইন অব ক্রেডিট ও বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশকে প্রায় ৬.৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মূলত কানেক্টিভিটি, জ্বালানি এবং অবকাঠামো খাতের আধুনিকায়নে এই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।