ঢাকা, ১৯ জুন — বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একদিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটি সারা দেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, অন্যদিকে পুলিশ সদর দপ্তর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশব্যাপী সতর্কতা জারি করেছে। ফলে ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ এবং রাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক সামনে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি নয়; বরং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, নাগরিক স্বাধীনতা, রাষ্ট্রক্ষমতার ব্যবহার এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে চলমান বৃহত্তর দ্বন্দ্বেরই আরেকটি প্রকাশ।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি
১৯ জুন প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ জানায়, দলের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ধানমন্ডি-৩২, বনানী কবরস্থান এবং টুঙ্গিপাড়ায় শ্রদ্ধা নিবেদন; মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ প্রার্থনা; জাতীয় ও দলীয় পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা; পোস্টার প্রচারণা; লিফলেট বিতরণ; দেয়াললেখন; এবং ভার্চুয়াল আলোচনা সভা।
একই সঙ্গে দলটি আগামী ১ জুলাই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের প্রতিবাদে দেশব্যাপী কর্মসূচিরও ঘোষণা দিয়েছে। আওয়ামী লীগের দাবি, ওই রায় আইনসম্মত নয় এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
দেশব্যাপী সতর্কতা জারি পুলিশের
আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে পুলিশ সদর দপ্তর ১৮ জুন দেশের সব মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি এবং জেলা পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে একটি সতর্কবার্তা পাঠায়। সেখানে বলা হয়, নিষিদ্ধ দলটির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে দলীয় পতাকা উত্তোলন, ব্যানারসহ মিছিল বা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জনসমাবেশের চেষ্টা করতে পারে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থার সম্ভাবনার কথা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সতর্কবার্তা দেশের সবচেয়ে পুরোনো রাজনৈতিক দলকে আবারও জনশৃঙ্খলা, সাংবিধানিক অধিকার এবং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল থেকে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী লীগ পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে দলটির অবস্থান অনস্বীকার্য।
কিন্তু বর্তমানে দলটির সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করেছে। ফলে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি কার্যত নিয়মিত রাজনৈতিক কার্যক্রম ও নির্বাচনী রাজনীতির বাইরে অবস্থান করছে।
পুলিশের বক্তব্য
শুক্রবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “২৩ জুন একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দিনটিকে কেন্দ্র করে আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।”
তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চেকপোস্ট, তল্লাশি এবং অন্যান্য নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অন্য এক মন্তব্যে তিনি পুনরায় বলেন, পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত।
নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাজনীতি
২০২৫ সালের মে মাসে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। তবে আওয়ামী লীগ এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে। নিষেধাজ্ঞা জারির পর দলটি বলেছিল, “অবৈধ সরকারের সব সিদ্ধান্তই অবৈধ।”
পরে নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে। এর ফলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নিবন্ধন পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত দলটির নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর আওয়ামী লীগ বিহীন একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন। বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্র জামায়াতে ইসলামী সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা গ্রহণ করে।
তবে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নও ওঠে। ২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত মার্কিন কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনকে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য বলা কঠিন।
পরবর্তীতে ২০২৬ সালের এপ্রিলে সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী পাসের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আইনি ভিত্তি পায়।
গ্রেপ্তার, মামলা ও ‘ফ্ল্যাশ মিছিল’
নিষেধাজ্ঞার পর থেকে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি, আকস্মিক মিছিল এবং পরবর্তী পুলিশি অভিযানের ঘটনা নিয়মিতভাবে ঘটছে।
২৬ মার্চ ঢাকার আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনের কাছে একটি সংক্ষিপ্ত মিছিলের পর পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি সেখানে অংশ নিয়েছিলেন।
২৫ এপ্রিল চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তিনটি পৃথক ফ্ল্যাশ মিছিলের ঘটনায় সাতজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, একটি মিছিল কয়েক সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়নি।
২২ মে ধানমন্ডি ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মসূচির প্রস্তুতির অভিযোগে ৩২ জনকে আটক করা হয়।
১ জুন চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে শতাধিক ছাত্রলীগ নেতাকর্মী “জয় বাংলা” এবং “শেখ হাসিনা ফিরবে” স্লোগান দিয়ে ফ্ল্যাশ মিছিল করেন বলে খবর প্রকাশিত হয়। পরে পুলিশ অংশগ্রহণকারীদের শনাক্ত করার উদ্যোগ নেয়।
৯ জুন আওয়ামী লীগপন্থী ৬১ জন আইনজীবী ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের সামনে মানববন্ধন করেন। তারা দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাদের কারাবন্দি করা হয়েছিল এবং রাজনৈতিক কারণে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।
১৪ জুন বনানীতে আরেকটি ফ্ল্যাশ মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।
সবশেষে ১৮ জুন মহাখালীতে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত এক ফ্ল্যাশ মিছিলের পর চারজনকে আটক করা হয়। পুলিশ দাবি করে, ওই কর্মসূচিতে ককটেলজাতীয় বিস্ফোরক নিক্ষেপ করা হয়েছিল।
এসব ঘটনা একটি ধারাবাহিক প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়—আওয়ামী লীগ সমর্থকরা স্বল্প সময়ের জন্য প্রকাশ্যে আসে, পুলিশ তাদের উপর অভিযান চালায়, এরপর মামলা ও গ্রেপ্তার হয়। সমর্থকদের অভিযোগ, সাধারণ রাজনৈতিক মতপ্রকাশও এখন অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ
আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধকরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং বিপুলসংখ্যক ভোটারকে কার্যত রাজনৈতিকভাবে বঞ্চিত করতে পারে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও বলেছে, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠন করার অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।
সংখ্যালঘু ও গণমাধ্যমের উদ্বেগ
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, গণপিটুনি, রাজনৈতিক প্রতিশোধ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ দেখা দেয়।
আওয়ামী লীগ কার্যালয়, দলীয় নেতাদের বাড়ি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল এবং বিভিন্ন স্মারকে হামলার ঘটনা ঘটে। ধানমন্ডি-৩২-এর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়।
একই সময়ে বিভিন্ন জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরে হামলার ঘটনাও নথিভুক্ত হয়।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংগঠন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ৫০০-র বেশি সাংবাদিক হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার এবং অন্যান্য চাপের মুখে পড়েন।
রাজনৈতিক অধিকারের পরীক্ষায় ২৩ জুন
আসন্ন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী তাই শুধু একটি দলীয় কর্মসূচি নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অধিকারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে উঠেছে।
আওয়ামী লীগের সমর্থকদের কাছে এ কর্মসূচি দলটির অস্তিত্ব ও রাজনৈতিক উপস্থিতি জানান দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। সরকারের কাছে এটি আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন। আর মানবাধিকারকর্মীদের কাছে এটি এমন একটি প্রশ্ন—অতীতের অভিযোগের বিচার কি রাজনৈতিক পরিচয়কে অপরাধে পরিণত না করেও সম্ভব?
পুলিশের দায়িত্ব সহিংসতা প্রতিরোধ করা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার রক্ষা, আইনের সমান প্রয়োগ এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে আক্রমণের শিকার হতে না দেওয়ার দায়িত্বও তাদের।
পর্যবেক্ষকদের মতে, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত কঠোরতা রাজনৈতিক নিপীড়নের অভিযোগকে আরও জোরালো করতে পারে। আবার বিরোধী গোষ্ঠীর হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস দেখায়, বড় কোনো রাজনৈতিক শক্তিকে দীর্ঘ সময় জনপরিসর থেকে দূরে রাখার ঝুঁকি রয়েছে। সমালোচকেরা আওয়ামী লীগের শাসনামলের নানা অভিযোগের কথা উল্লেখ করলেও দলটি এখনো দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস এবং বৃহৎ ভোটারগোষ্ঠীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত। অনেকের মতে, অভিযোগের বিচার হওয়া উচিত ব্যক্তিগত দায়িত্ব ও প্রমাণের ভিত্তিতে, কোটি কোটি সমর্থকের ওপর সামগ্রিক শাস্তি আরোপের মাধ্যমে নয়।
২৩ জুনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের সমাধান করবে না। তবে এটি স্পষ্ট করে দিতে পারে—দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি রাজনৈতিক স্বাধীনতাও রক্ষা করতে সক্ষম কি না। আগামী কয়েক দিনে পুলিশ, রাজনৈতিক দল এবং সরকারের আচরণ শুধু আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাপথ সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।
(ইংরেজি প্রতিবেদন থেকে অনুদিত)

