“তুই কে রে?” এই প্রশ্ন এখন সময়ের দাবিতে দেশের প্রতিটি কোণে গর্জে উঠছে। এই প্রশ্ন শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো একটি ষড়যন্ত্রকারী চক্রকে সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে। তারা মুখে দেশপ্রেমিক, ভিতরে বিশ্বাসঘাতক। তারা সামনের সারিতে বসে গলাবাজি করে, আর পেছনে বসে চালায় ছুরি।
আজ বাংলাদেশ হারিয়ে যাচ্ছে এক অচেনা অন্ধকারে। বিদ্যুৎ নেই, উৎপাদন নেই, কর্মসংস্থান নেই শুধু হাহাকার আর হাল ছেড়ে দেওয়া উদ্যোক্তারা। গ্রামে-গঞ্জে মানুষ ১৬ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ; শিশুরা হারিকেনের আলোয় আবারও পড়তে শুরু করেছে। যেন ২০২৫ নয়, ফিরে গেছি ১৯৮৫-র গ্রামবাংলায়। অথচ সরকার বলছে সব ঠিক আছে! কি ভয়ঙ্কর মিথ্যা, কী নিষ্ঠুর উদাসীনতা!
বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমাদের সক্ষমতা ২৩,০০০ মেগাওয়াটের বেশি, অথচ বাস্তবে উৎপাদন হচ্ছে ১৮,০০০-এর নিচে! পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে এই খাতকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো বন্ধ, উদ্যোক্তারা দেউলিয়া, ভুতুড়ে কোম্পানির নামে দুর্নীতি আর কমিশন বাণিজ্যে ব্যস্ত মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগী চক্র। এ যেন ‘লোডশেডিং-রাজনীতির’ নতুন কলঙ্কিত অধ্যায়।
এই অন্ধকারের সুযোগ নিচ্ছে “মিনমিনে” রাজনীতিকেরা। যারা বড় বড় বুলি আওড়ে, আবার সময় এলে গর্তে ঢুকে পড়ে। তারা কথা চালাচালি করে, গুজব ছড়ায়, আবার মুখোশ পরে ‘নিরপেক্ষতার’ অভিনয় করে। এরা-ই দেশের শত্রু, জাতির পিঠে ছুরি চালানো ষড়যন্ত্রী।
দেশকে আজ মুক্ত করতে হবে সেইসব মুখোশধারী বিশ্বাসঘাতকের হাত থেকে যারা অন্ধকার চায়, যারা শিক্ষাহীনতা চায়, যারা আলো নিভিয়ে দেশটাকে আবার বিক্রির নিলামে তুলতে চায়।
আমরা তাদের চিনে রাখব—
যারা পেছন থেকে ছুরি চালায়
যারা দুর্দশায় উৎসব করে
যারা অন্ধকারকে ক্ষমতার হাতিয়ার বানায়,
এটাই সময় বিশ্বাসঘাতকদের বিদায় জানানোর। আলো ফিরিয়ে আনার। জাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য **“তুই কে রে?”** এই প্রশ্ন তুলতেই হবে।

