বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানে একটি রেস্তোরাঁয় খাবার গ্রহণের সময় যশোরের চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ দাবি করেছে, ওই রেস্তোরাঁয় তারা একটি ‘গোপন বৈঠকে’ অংশ নিচ্ছিলেন।
গ্রেফতার নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে গিয়েছিলেন এবং সেখানে কোনো গোপন বৈঠক করছিলেন না। তারা এই গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেদী মাসুদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম হাবিবুর রহমানের ছেলে এস এম আলীফ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, লস্করপুর গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা নান্নু এবং আমিনুর রহমান পলাশসহ আরও একজন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের পুলিশ প্লাজার পঞ্চম তলার একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাদের গ্রেফতার করে গুলশান থানা পুলিশ।
গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে পুলিশ প্লাজার পঞ্চম তলার একটি রেস্তোরাঁয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ‘গোপন বৈঠক’ করছেন। ওই তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়।
তবে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের বক্তব্য, তারা রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে গিয়েছিলেন। তাদের দাবি, ঘটনাটিকে ‘গোপন বৈঠক’ হিসেবে দেখিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা ও গ্রেফতারের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তারা গ্রেফতার হওয়া ছয়জনের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।


